প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ হবে : মীর শাহে আলম
বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে বগুড়ার সবচেয়ে আকর্ষনীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’। শনিবার বিকেলে শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফুটবল মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বগুড়া জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেজাউল করিম বাদশা এমপি, কাজী রফিকুল ইসলাম এমপি, সুরাইয়া জেরিন এমপি, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আহসানুল তৈয়ব জাকির বিশেষ অতিথি ছিলেন।

এছাড়া ক্রীড়া সংগঠক সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব খাজা আবু হায়াত হিরু, জেলা ক্রীড়া অফিসার আকরাম হোসেন, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দসহ ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠকগণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী ম্যাচে টাইব্রেকারে সারিয়াকান্দি উপজেলাকে ৫-৪ গোলে হারিয়ে শুভ সূচনা করে দুপচাঁচিয়া উপজেলা। নির্ধারিত সময়ে উভয় দল ১-১ গোলে সমতা থাকায় টাইব্রেকারে ফলাফল নির্ধারিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর শাহে আলম বলেন, সরকার বগুড়া জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারি জায়গায় একটি করে খেলার মাঠ তৈরি করবে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় মিনি ষ্টেডিয়াম এবং শহরের তিনমাথায় ১৩০ কোটি কাটা ব্যয়ে প্যারা স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাকে অন্তর্ভুক্ত করছে। স্কুল, কলেজ এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের অবসরকালীন ভাতা প্রদানেরও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এবারের টুর্নামেন্টে জেলার ১৩টি উপজেলা এবং বগুড়া সিটি কর্পোরেশনসহ মোট ১৪টি দল অংশ নিচ্ছে। দলগুলো দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলায় অংশগ্রহন করছে। জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান জানান, এবারের টুর্নামেন্টে আকর্ষনীয় ট্রফির পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন দল নগদ ৩ লক্ষ টাকা এবং রানার্সআপ দল নগদ দেড় লক্ষ টাকা প্রাইজমানি পাবে। এছাড়া প্রতিটি খেলার ম্যান অব দ্য ম্যাচকে ট্রফি এবং নগদ ১২ হাজার টাকা এবং প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট ও সর্বোচ্চ গোলদাতাকে ট্রফির পাশাপাশি নগদ ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। খেলাকে আকর্ষনীয় করতে প্রতিটি দলে ২জন বিদেশী এবং ২জন দেশী খেলোয়াড় দলভুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এদিকে, উদ্বোধনী দিনেই দর্শকে পূর্ন ছিল শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফুটবল মাঠ। মাঠে জায়গা না পেয়ে হাজার হাজার দর্শক মাঠের চারপাশের বহুতল ভবনের ছাদ এবং গাছে উঠে খেলা উপভোগ করেন।