বৃষ্টিতে মাঠের আউটফিল্ডে পানি জমেছে
সব ঠিক ছিল। শিডিউল মত জিম্বাবুয়ে এ দলের ক্রিকেটাররা মাঠে উপস্থিত। হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে গেল আকাশ। মুহর্তের মধ্যে নামলো মুষলধারে বৃষ্টি। বাধ্য হয়ে ইনডোরে এবং জিমেই সারতে হলো অনুশীলন। প্রায় ৩০ মিনিট স্থায়ী বৃষ্টিতে বগুড়ায় অনুষ্ঠিতব্য জিম্বাবুয়ে এ বনাম বাংলাদেশ এ দলের মধ্যকার প্রথম একদিনের ম্যাচটি অনিশ্চিত হয়ে পড়লো। যদি এবং কিন্তুর ওপর এখন নির্ভর করছে ম্যাচের ভবিষ্যৎ।
দীর্ঘ দিন পর কোন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলের সফরকে ঘিরে শহীদ চান্দু ষ্টেডিয়ামে সাজসাজ রব উঠেছে বেশ কিছু দিন হলো। অভ্যন্তরীন সংষ্কারের পাশাপাশি উইকেট এবং আউটফিল্ড নিয়েও বেশ সিরিয়াস গ্রাউন্ডসম্যানরা। রাতদিন পরিশ্রম করে যখন মাঠ খেলার উপযোগী হলো ঠিক সেই মুহুর্তে আজ দুপুরের বৃষ্টি সবকিছু এলোমেলো করে দিলো। মাঠ কর্মিদের প্রচেষ্টায় সেন্টার উইকেট এবং প্র্যাক্টিস উইকেটের কোন ক্ষতি না হলেও আউটফিল্ডে পানি জমে খেলার অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। মাঠের চার পাশে পানি জমে আছে।
আজ বিকেলে সেন্টার উইকেটের আশে পাশেও পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। ফলে সোমবারের প্রথম একদিনের ম্যাচটি নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। আউটফিল্ডের বাস্তব অবস্থা দেখে মনে হয়েছে এই মাঠে একদিন পর খেলা অসম্ভব। তবে, মাঠ তৈরির কাজে নিয়োজিতদের সাথে আলাপ করে জানাগেছে, যদি আজ রাতে এবং আগামীকাল (রোববার) বৃষ্টি না হয় তাহলে সোমবার প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ হওয়া সম্ভব। কিন্তু এর মাঝে নতুন করে বৃষ্টি হলে কোনভাবেই সোমবারের ম্যাচ হওয়ার সুযোগ নেই।
এদিকে, বাংলাদেশ এ দল শনিবার বগুড়ায় পৌঁছার কথা থাকলেও তারা আসেনি। আগামীকাল (রোববার) সকালে বাংলাদেশ দল বগুড়ায় এসে দুপুরে শহীদ চান্দু ষ্টেডিয়ামে অনুশীলন করার কথা। অপরদিকে, আগেই বগুড়ায় আসা জিম্বাবুয়ে এ দলের ক্রিকেটাররা আজও শিডিউল মত অনুশীলনের জন্য স্টেডিয়ামে এসে বৃষ্টির মুখে পড়েন। বাধ্য হয়ে তাদের কেউ কেউ ইনডোরে অনুশীলন সেরেছেন। আবার কেউ কেউ জিম করে সময় কাটিয়েছেন।
তীব্র দাবদাহের মাঝে হঠাৎ বৃষ্টিতে বগুড়ার ক্রিকেটপ্রেমিদের মনে হতাশার কালো মেঘ জমেছে। দীর্ঘ দিন পর আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটারদের খেলা ঘরের মাঠে বসে দেখার সুযোগ পেয়েও হারানোর শঙ্কা জেগেছে। বিসিএল টি-টুয়েন্টিতে টিকিট কেটেও হাজার হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশের সুযোগ পায়নি বৃষ্টির কারনে। এবার যাতে বৃষ্টিতে দর্শকদের স্বপ্ন ধুয়ে না যায় সেই আশায় উপরওয়ালাকে ডাকছেন এই অঞ্চলের ক্রিকেটপ্রেমিরা।